নীলফামারীর জলঢাকায় মকবুল হোসেন (৬৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হত্যা মামলা রেকর্ড ও আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে লাশের গাড়ি নিয়ে সড়ক অবরোধ করেছেন এলাকাবাসী।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার ট্রাফিক মোড়ে এ অবরোধের কারণে সড়কের তিন দিকে যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আলম ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেন স্থানীয়রা।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানাযায়, গত ১২ সেপ্টেম্বর উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের পূর্ব বালাগ্রাম আদর্শপাড়া এলাকায় শিশুদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে মকবুল হোসেনের সঙ্গে প্রতিবেশী রসিদুল গংয়ের লোকজনের মারামারি হয়। এতে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হন। পরে তারা হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
ঘটনার পর গত ১৯ সেপ্টেম্বর উভয় পক্ষ জলঢাকা থানায় পৃথক মামলা করে। এর মধ্যে মারামারির সময় মাথায় আঘাত পাওয়া মকবুল হোসেনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে তাঁর মৃত্যু হয়।
মঙ্গলবার বিকেলে মকবুলের মরদেহ নিয়ে স্বজন ও এলাকাবাসী জলঢাকার ট্রাফিক মোড়ে অবস্থান নেন। এ সময় তারা মকবুলের দায়ের করা মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে রেকর্ড, অপর পক্ষের করা মামলা প্রত্যাহার এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান। এতে সড়কের তিন পাশে যান চলাচল ব্যাহত হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে জলঢাকা থানার ওসি নাজমুল আলম ঘটনাস্থলে গিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে এলাকাবাসী অবরোধ তুলে নেন।
জলঢাকা থানার ওসি নাজমুল আলম বলেন, মকবুল হোসেনের আগের করা মামলায় তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা সংযুক্ত করা হবে। ওই মামলায় ১৩ জন আসামি রয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ কাজ করছে।
